05 August, 2026
অরাজনৈতিক ?
04 August, 2026
তোরা মানুষ হ
ভারতবর্ষের
প্রতিটি মানুষ যারা কলেজে
পড়েছেন তাঁরা নিজেদের শিক্ষাগত
যোগ্যতার পরিচয় দেখাতে পারবেন। এমন
কি যারা বলেন (এবং
বিশ্বাস করেন) ব্যক্তি / দলের
বিরোধিতা করা মানেই দেশের
বিরোধিতা করা।
মিথ্যা বললাম কি?
ভারতবর্ষের প্রতিটি প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা আর টি আই
না করলেও জানা যায়।
যারা বলেন (এবং বিশ্বাস
করেন) ব্যক্তি / দলের বিরোধিতা করা
মানে দেশের বিরোধিতা করা
তাঁরাও এটাকে অস্বীকার করতে
পারেন কি?
অথচ তারাই ভারতবর্ষের বর্তমান
প্রধান মন্ত্রীর শিক্ষা গত যোগ্যতা
জানতে চাওয়া মানুষদের বলেন
তোদের জন্ম আব্দুল চাচার
খাটে
কোন মহিলা প্রশ্ন তুললে
তাঁকে গণ ধর্ষণের নিদান
দেন
ব্যক্তি = দেশ এই চিন্তা
ধারার বিদ্বান বিদ্ধস্ত জাতে মানুষের মত
দেখতে প্রজাতিতে এক কোষী অ্যামিবাদের
দেখতে বড় ভালো লাগে।
একজন সাধারণ জ্ঞানওয়ালা মানুষ
হিসাবে চাইব না,
এদের ঘরে নিট পরীক্ষায়
প্রশ্ন ফাঁসের জন্য ব্যর্থ
হওয়া কোন সন্তান আসুক
যে এদের দিকে মধ্যমা
নয় একটাও আঙুল তুলুক;
চাইব না এদের কারো
মনে এখনই প্রশ্ন জাগুক
কোন সে তথ্য ভারতের
নাগরিকত্বের আসল প্রমাণ
আমি চাইব না এদের
পরিবারে কেউ বুঝুক পিঙ্ক
স্লিপ পেলে কেমন লাগে
আমি চাইব না এদের
পরিবারের কারো রেশন বন্ধ
হোক
আমি চাইব না এরা
কোন কুলদীপ আর ব্রিজ
ভূষণকে মালা পরাতে দেখে
নিজের ঘরের দরজা বন্ধ
করে দিক;
আমি চাইব
আসুক সেই এক দিন
যেদিন ওদের
চিত্ত হোক আঁধার শূন্য
উচ্চ হোক শির
জ্ঞান হোক মুক্ত
যেথা শিক্ষার অনল
পুড়িয়ে দিল
কুশিক্ষার জঞ্জাল
ওরা গেয়ে উঠুক
এসো মুক্ত কর, মুক্ত
কর অন্ধ কারার এই
দ্বার
ওদের যক্ষ পুরীর কারাগার
ভাঙ্গুক।
ওরা এক কোষী অ্যামিবা
ব্রেন ধারী ভ্যাঁক্টোঁ না
হয়ে
মান আর হুঁশ থাকা
মানুষ হোক।
03 August, 2026
TO THE সুদধ্ সাঁতভিক সনাতনী দ্বেষ প্রেমিক হিন্দু ভীর ভ্যাঁক্টোঁস্
এক অসাধারণ সময়ে পথে চলছে ভারতবর্ষের সাধারণ নাগরিক
১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগস্ট ভারত বর্ষ স্বাধীনতা পেয়েছে
ইতিহাসে একথাই লেখা আছে।
এই ইতিহাস সত্যি কি?
কেউ কেউ তো বলে চলছেন
ভারত নাকি ২০১৪ সালে প্রকৃত স্বাধীন হয়েছে
যারা বলে চলেছেন
গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ তাঁদের কোন প্রশ্ন করেন নি।
কেন করেন নি সেটা অজানা
আসলে রাষ্ট্র বাদী মিডিয়ার (ওঁরাই নিজেদের অভিসিঞ্চিত করেন এই উপাধিতে)
হয়তো বা এই প্রশ্ন করাই মানা।
ভারত বর্ষ স্বাধীন হল কবে এই প্রশ্ন না হয় তুলেই রাখি
প্রশ্ন করি এই ভারতে কি প্রশ্ন করাই ফাঁকি?
প্রশ্ন করলেই কি আব্দুল চাচার খাটে জন্ম নিতে হয়?
প্রশ্ন করলেই কি দেশদ্রোহী তকমা পেতে হয়?
কোন ভোটার কোন দিন প্রশ্ন করেছে কি
যদি কেউ নিজেকে নন বায়োলজিক্যাল বলেন
তার পারিবারিক পরিচয় কি হয়?
যিনি বলেছেন তার হয়তো লজ্জা হয় না
একজন সাধারণ ভোটারের লজ্জা হয়।
এটাই বাস্তব।
১৯৪৭ থেকে ২০২৬ - স্বাধীনতা দিবস আসছে।
শুরু হয়েছে জন সুমারি।
এই ভারতে কত জন মানুষ আছে তা গোনা হবে।
গোনা শেষ হবে সময়ের নিয়ম মেনে।
কত জন বাস করে এই দেশে তা হয়তো বা(????) জানা যাবে।
কতজন নাগরিক তা কি জানা যাবে?
কি বলছে জন সুমারির নিয়ম?
কি বলছে সরকার?
কি বলছে দায়রা আদালত?
কি বলছে হাই কোর্ট?
এবং সুপ্রিম কোর্ট বলছে কি?
কোন নথি নাগরিকত্বের প্রমাণ?
জানতে চাইছে এক সাধারণ ভোটার।
আধার কার্ড (যার সাথে লিঙ্ক করানো আছে বায়োমেট্রিক তথ্য)?
মহামান্য আদালত বলছেন - না।।
ওটা পরিচয় পত্র !!
প্যান (পার্মানেন্ট অ্যাকাউন্ট নাম্বার) ?
মহামান্য আদালত বলছেন - না।।
ওটা আয়কর দেওয়ার জন্য!!!
ভোটার কার্ড ?
আরে ওটা শুধু ভোট দেওয়ার জন্যই কাজে লাগে
(আমি নই) মহামান্য আদালত বলছেন।
পাসপোর্ট হল বেড়াতে যাওয়ার জন্য!!!
জন্মের প্রমাণ পত্র - জমি বাড়ির দলিল
কোনটাই এই দেশের নাগরিক হওয়ার কোন
প্রমাণ পত্র নয়।
আবার এই আদালত ই
ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ভারতের নাগরিক কিনা
এই প্রশ্নের উত্তরে বলছেন
তিনি জন্মসূত্রে ভারতের নাগরিক।
আইন তো সকলের জন্য সমান
তাই ভারতবর্ষের প্রধান মন্ত্রী জন্মসূত্রে ভারতের নাগরিক
কিন্তু
বাকি সবাই ভারতের নাগরিক কিনা
কোন নথি দিলে তাঁরা ভারতের নাগরিক হিসাবে প্রমাণিত
জন সুমারির আগেও সেই প্রশ্নের উত্তর আমি জানি না।
যারা নন বায়োলজিক্যালের জন্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে লজ্জা পান
বিরোধীদের আব্দুল চাচার খাটে জন্ম বলে উল্লসিত হন
তারা হয়তো এই প্রশ্নের উত্তর জানেন।
জন সুমারির ফর্ম টা যখন ভরবেন তখন একটু ভাববেন
কোন নথি দিলে আপনি ভারতের আসল নাগরিক হিসাবে
জায়গা পাবেন?
ভোটার কার্ড নয় / নয় প্যান / নয় সব কিছুর সাথে লিঙ্ক করা আধার / নয় পাসপোর্ট / নয় রেশন কার্ড।
TO THE সুদধ্ সাঁতভিক সনাতনী দ্বেষ প্রেমিক হিন্দু ভীর ভ্যাঁক্টোঁস্
27 July, 2026
গণতন্ত্রের নিরপেক্ষ রক্ষক চতুর্থ স্তম্ভের প্রতি শ্রদ্ধায়
আজকে সারাদিনে কি জানতে পারলাম?
জানলাম যন্তর মন্তর এর প্রতিবাদে প্যালেট গান চলেছিল।
জানলাম বিহারের আন্দোলনে একে ৪৭ গর্জেছিল
জানলাম সুপ্রিম কোর্ট বলছে
"বিক্ষোভ চলছে বলেই লাঠি চার্জ মানা যায় না"
কতজন নিরপেক্ষ মেইন স্ট্রিম মিডিয়ার সাংবাদিক এই খবর গুলো নিয়েঃ
১) কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানতে চেয়েছেন যে কার আদেশে প্যালেট গান চলেছিল? একটা প্যানেল বসিয়েছেন? জনগণের মতামত চেয়েছেন? মেনে নিলাম আপনারা হাউসের দাস। তবু সামাজিক মাধ্যমে লিখতে তো হাতে হ্যান্ড কাফ লাগানো নেই? গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ আপনারা, আপনাদের নিরপেক্ষতার প্রথম অদম্য প্রমাণ। আপনাদের নিরপেক্ষতা কে দেশপ্রেমিক প্রথম প্রণাম;
২) বিহারে একে ৪৭ গর্জেছিল। সেদিন কিন্তু শুক্রবার ছিল না, প্রাক্তন অনুপ্রাণিতের বর্তমান ভাষ্যের মত। কাদের বিরুদ্ধে গর্জেছিল? তারা কি বিহার কে পাকিস্থানের অঙ্গীভূত করতে চেয়েছিল? সেই পুলিশ অফিসার সাসপেন্ডেড এটা বাস্তব ঘটনা। কিন্তু মেইন স্ট্রিম মিডিয়া আপনারা সেই ঘটনাকে দেখিয়েছিলেন? নিরপেক্ষ সংবাদ মাধ্যম হিসাবে আপনাদের কাজ কি ছিল? নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন? আপনাদের হাউস না হয় আপনাদের কলম বেঁধে রেখেছিল, মানতেই পারি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বোধহয় নিস্ক্রিয় সবাই। তাই গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের ধারক এবং বাহক হিসাবে আপনাদের মত সংবাদ কর্মীদের আমার দেশপ্রেমিক দ্বিতীয় প্রণাম;
৩) সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে আপনাদের কি মত নিরপেক্ষ সংবাদ মাধ্যম কর্মী রা? আপনারা যারা এই বিক্ষোভ কারী দের উদ্দেশ্য করে বলেছেনঃ টুকরে টুকরে গ্যাং
প্রমাণ ছাড়াই বলেছেন বিদেশী ফান্ডিং আছে (অথচ কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করার সাহস দেখাতে পারেন নি এত কড়া আইন সত্ত্বেও বিদেশী ফান্ডিং ঢুকছে কি করে?)
আপনারা একবারও প্রশ্ন করার সাহস দেখাতে পারেন নি সেই নেতাকে
যে নেতা বলে পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার আত্মহত্যা আর প্রশ্ন ফাঁসের আত্মহত্যা একই কি করে তাহলে কি রোগে মৃত্যু আর ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু এক? এই সহজ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে আপনারা ভয় পেয়েছেন, যুক্তি দিয়ে চলেন, আমরা চাকরী করি। আপনারা এই প্রশ্ন সামাজিক মাধ্যমে করেছেন কি? নাকি তখনও আপনাদের হাতে চাকরীর হাতকড়া বাঁধা? এই প্রশ্ন করতে পারেন নি বলেই আপনাদের প্রতি আমার দেশপ্রেমিক তৃতীয় প্রণাম।
এই তিনটে প্রণামে আমার মাঝের আঙুল উঁচিয়ে রাখাই উচিত ছিল কিন্তু আমি কথায় কথায় "শালা" বলতে পারলেও "জেন জি" নই।
ভালো থাকবেন রাষ্ট্র কে প্রশ্ন করতে না জানা নিরপেক্ষ রাষ্ট্র বাদী সাংবাদিক রা - বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়, গৌরকিশোর ঘোষ, আর কে লক্ষণ আর কুট্টির মত সাংবাদিকরা যাদের দেখলে লজ্জায় - ঘৃণায় নিজেদের সব লেখা, সব কার্টুন ছিঁড়ে ফেলতেন।
বিঃ দ্রঃ শেষ প্রশ্ন টা করতে ভুলেই গেছিলাম: মাননীয় নিরপেক্ষ সাংবাদিক কুল
আজকে সংসদে মাননীয় প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রীকে (যিনি দুর্নীতির দায়ে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন) তাকে শাসক দল বিলকিস বানোর ধর্ষকদের মতই বরণ করে নিয়েছে | দুর্নীতি নিয়ে জিরো টলারেন্স মেনে চলা সরকার কে একটাও প্রশ্ন করার সাহস দেখাতে পেরেছেন?
আর কত প্রণাম জানাব?
একটাই তো হৃদয় আর কতবার হরণ করবেন গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের নিরপেক্ষ রক্ষা কারী রা?
26 July, 2026
প্রশ্ন সাংবাদিক তোমাকে
আজকের সাংবাদিক রা কেউ ফ্রিথ কে চেনেন
উনিও একজন সাংবাদিক ছিলেন।
আজকের সাংবাদিক রা কেউ কপিল দেব কে চেনেন।
কপিল দেব ১৯৮৩ বিশ্ব কাপের সময়ে
ফ্রিথ জাতীয় সাংবাদিক দের লেখা খবর দিয়ে নিজের জুতো মুছতেন।
এটা 83 সিনেমাতে দেখানো হয়েছিল।
দুঃখিত (তথাকথিত) সাংবাদিক বন্ধুরা
আজকের ZEN G ছেলে মেয়েরা
আপনাদের দিকে মধ্যম আঙুল দেখায়
যেহেতু এখন আপনাদের খবর
অ্যানড্রয়েড মাধ্যমে ওরা পায়।
ওরা যদি ১৯৮৩ র সময়ে ফিরে যেত
ওরা আপনাদের এই খবর দিয়ে পায়ের জুতো মুছত।
কপিল দেবে র মত।
আপনাদের এই টুকু ও যোগ্যতা নেই
আপনারা ফ্রিথ এর মত নিজের লেখা
নিজে চিবিয়ে খেতে পারেন>
কারণ যাদের আপনারা দেশদ্রোহী বলেছিলেন
তাঁদের সামনে নত দেশপ্রেমিক সরকার।
তাহলে
আপনারা যারা আজ কে মিছিল - টিছিল জাতীয় কিছু করলেন
তাঁরা নিজেদের কি মনে করেন
বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় - গৌর কিশোর ঘোষ তো অনেক দূরের কথা
একজন ইন্টার্ন সাংবাদিক হিসাবেও
সাধারণ মানুষের বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জন করতে পেরেছেন ?
বিশেষ ভাবে দ্রষ্টব্যঃ আপনারা নিজেদের মনের মধ্যে থেকে নিজেদের সাংবাদিক বলে ভাবেন?
অধিকার
22 July, 2026
ক্ষমা করি
21 July, 2026
ক্যামন তুমি
মাঝে মাঝে প্যারোডি লিখতে ইচ্ছে করে। সেই রকমই এক প্যারডিঃ
দলে ছিলে - দলে ছিলে কেমন করে?
বুঝতে নারি কেমন তুমি
উড বার্নে ভর্তি ছিলে
কার দয়াতে
বল না তুমি?
আহা !
দলে ছিলে, ছিলে দলে
কোন কথাটা তোমার খাঁটি
কখন তুমি আসল (মা আর) মাটি
কখন মেকি বোঝাও বোঝাও
মদির সুরে
বুঝতে (যে চাই) কেমন তুমি ?
দলে ছিলে না কোন্দলে ছিলে
বুঝতে নারি - ক্যামন তুমি ?
কত রঙ্গে কথা বাজাও
সাধ কি তাঁহার তাতে মেটাও
লাভ্লি তুমি - হৃদয় জুড়ে
সাজাও, সাজাও কথা তোমার
মদন রাগে সুর বাহার ।
তোমার সুরে - তোমার গানে
আসল কথা বাইরে ওড়ে,
কোন কথা টা তোমার খাঁটি
তুমি কি ভালু কিংবা তুমি কালী ঘাটি?
বোঝাও বোঝাও বেশী করে
বুঝতে নারি ক্যামন তুমি?
শ্রীতোষ
মুল রচনাঃ অনির্বাণ ভট্টাচার্য (সিনেমা বল্লভ পুরের রূপকথা)
ভারতের জম্বি দের উদ্দেশ্য করে
20 July, 2026
রক্ত ঝরে
আমি একটা প্রতিবাদী মানুষ দেখি
যে রাষ্ট্রের সামনে দাঁড়িয়ে বলে
মারো – মারো আমায় মারো,
অজস্র মারে যদি আমায় হারাতে পারো।
ও প্রতিটি প্রতিবাদী মানুষের সন্তান
যার আছে মান আর আছে হুঁশ।
সদ্য ভঁক্টোঁ আর অন্ধ ভঁক্টোঁ দের চোখ
দেখতেই পাচ্ছি কেমন অন্ধকারায় বদ্ধ।
সদ্য ভঁক্টোঁ ভুলে গেছে কবিগুরুর কথা,
অন্ধ ভঁক্টোঁ রবীন্দ্র নাথের কবিতা পঢ়ে।
আজকে দেখলাম
দাঁড়াল যৌবন -
প্রতিবাদী কণ্ঠে
সামান্য ওই মানহারা সমাজের দ্বারে।
জন গণ মন অধিনায়ক হয়ে
বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে উঠে
কম্বু কণ্ঠে বলে উঠলঃ
"আমি মারের সাগর পাড়ি দেব রে,
আমার ঘর ভাঙ্গা এক নায়ে,"
ওর রক্তের প্রতিটি ফোঁটা গান গায়ঃ
"আমি বিদ্রোহী সূত বিশ্ব বিধাত্রীর।"
ক্ষুদিরাম ও -
ও প্রফুল্ল চাকী
ও নাম না জানা সেই শহীদ
যে নেত্র সেনের মাথা উড়িয়ে দিয়েছিল
কাটারির এক কোপে।
ও সেই যুবক যে বন্দেমাতরম আওয়াজ তুলে
১০ টা চাবুক খেয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশের।
সেদিন সুশীল সেন মার খেয়েছিল
সরকারী পুলিশের হাতে
বন্দেমাতরম বলার জন্য।
আজকের সুশীল সেন মার খেল
কেন নিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেল
তার জন্য।
সেদিনের সুশীল সেন কে পুলিশ চাবুক মারছিল
সুশীল বলছিল
বন্দে মাতরম
তখন সমাজ বলছিল কুলাঙ্গার যত সব।
আজকের সুশীল সমাজ বলছে
দেখা কেমন লাগে!
সেদিন যারা ব্রিটিশ ভক্ত ছিল
আজকে তারা
শুদধ্ সনাতনী সাতভিক এবং
এবং দেশপ্রেমিক ।
দেশপ্রেমে ভুল নেই সেদিনে ও ওদিনে।
আমি কিন্তু
অতীতের শিক্ষা নিয়ে আজও
কবিগুরু আর নজরুলের সাথে আছি।
আজকের ছেলেটার মারে আমার বিবেকের রক্ত ঝরে।
শ্রীতোষ ২০/০৭/২০২৬
16 July, 2026
অন্ধকার তোমাকে
"ভালো আছো - ভালো থেকো
সুন্দর করে কাব্য লেখো
ছুঁয়ে যাক তোমার পরম পাওয়া
মৌলবাদের ভিতরে।
তসলিম করব তোমায় আমি
সুইডেনের নাগরিক রে।
চিন্তার অন্তরে অন্তরে তুমি ঘৃণ্য
অন্ধ কারার অন্তরে।
চেতনার কালো আন্ধারে।
পুষে রেখেছিল ওরা তোমায়
সময়ের প্রয়োজনে,
ব্যবহার করবে বলেই
অন্ধ রাতের ভিতরে
তোমার আগমনে অন্ধকার আরও কালো হবে
অত্যাচার শক্তি পাবে
তোমার কথায় যুক্তি জাগে
মৌলবাদের ভিতরে
তসলিম করি তোমায় আমি
অর্ধ সত্যের আন্ধারে
এক চোখেতে দেখছ তুমি
গোটা পৃথিবীটারে।
প্রণমি তোমায় বলতে পারলাম না
তোমার লেখা মেনে পেলাম
"লজ্জা"
(কারণ তুমি কোন ও দিন সৈয়দ মুজতবা আলি তো অনেক দূরের কথা গৌরি লঙ্কেশ ও হতে পারবে না)
শ্রীতোষ - ১৬/০৭/২০২৬
15 July, 2026
৩৫ বছর।
13 July, 2026
প্রতিবাদ
10 July, 2026
মাকুরা থাকুক
মাননীয় মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ যা বলেছেন বলেছে আমিও সেটাই চাই, সব বুদ্ধিজীবী আর মাকুর মাথায় ডিম পড়ুক, যাতে দিলীপ ঘোষের বাড়িতে কোন ব্রাহ্মণ কে ঢুকতে কেউ আটকাতে না পারে। অজস্র ব্রাহ্মণ ঢুকুক মাননীয় মন্ত্রীর বাড়িতে।
এখনও উত্তর প্রদেশ সহ গোটা ভারতে ব্রাহ্মণের এক অধিকার আছে শূদ্রের প্রতি
মনুবাদী হিন্দু সমাজের অধিকার।
মানতে পারবেন মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়?
এই শব্দ গুলো যদি লিখতে পারতাম তাহলে আমি হয়তো আপনারই মত হতাম।
আমি এই শব্দ গুলো লিখতে পারি না,
ফারাক তো আছে
ফারাক থাকবে।
আপনারা গরুর দুধে সোনা খোঁজেন
আমি ইতিহাস পড়ি।
আমার ইতিহাস পড়া চেতনা
গত ১৫ বছরের এই সময়ের বাস্তবকে সমর্থন করে।
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়
আপনি হাসুন
আজকে
আমি থাকলাম আগামীর ইতিহাসের অপেক্ষায়।
যে ইতিহাস লেখা হবে আপনাদের ভবিষ্যতে।
৫০০ বছর পরে কার মন্দির স্থাপিত হবে
কেউ বলেছিল,
তারও বহু আগে কেউ বলেছিল
থার্ড রাইখ বাঁচবে
১০০০ বছর।
ইতিহাস উত্তর দিয়েছে তার।
আজ থেকে ১০ বছর পরেও আমি চাইব না
ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হোক
কারণ তা হলে বাঙালি ব্রাহ্মণ
কায়স্থ, বৈশ্য আর শূদ্রের ঘরে
ঢোকার অধিকার পাবে।
অধিকার পাবে এক বিশেষ রাত্রে।
আপনার ঘর আপনারই থাকুক
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়
তাকে ঘিরে থাকুক
ভারতের সংবিধান
আর থাকুক মাকু রা
(মাকু না থাকলে যে টানা পোড়েন থাকে না
পোশাক বানানো যায় না
উলঙ্গ হয়ে থাকতে হয়)
বাবা রাম রহিম - আসারাম বাপুদের আটকাতে
আপনার পাশে একটা মাকু থাকা বড় দরকার।
আপনি ভালো থাকুন
আপনাদের ভালো হোক।
07 July, 2026
এক সাধারণ মেয়ে
বারুইপুরের মেয়েটা
নির্ভয়া নয়
তাই তাকে নিয়ে আজও পথ নাটক করে নি কোন নাট্য দল !
বারুইপুরের মেয়েটা অভয়া নয়
তাই আজ পর্যন্ত কোন মিছিল হল না
সু্বোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে
ধর্মতলা পর্যন্ত |
বারুইপুরের মেয়েটা তিলোত্তমা ও নয়
তাই তার জন্য রাত দখল করতে
ভুলে গেল
সব্বাই |
আমরা সবাই বুঝিয়ে দিলাম
সবাই এক নয় |
অথবা ভয় পেলাম
আজকের পশ্চিম বঙ্গে
আসছে যে গুন্ডা দমন আইন
সেই আইনের ভয় |
মেয়েটা তখনও কিন্তু বেঁচে ছিল
গলায় পা দিয়ে চেপে ধরার পরেও
একটু নিশ্বাস নিচ্ছিল
বেঁচে থাকার শেষ ইচ্ছায় |
যখন ওকে জলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল
ও নির্ভয়া নয়
ও অভয়া নয়
ও তিলোত্তমা নয়
ও বারুইপুরের এক সাধারণ মেয়ে |
শ্রীতোষ ০৭/০৭/২০২৬
01 July, 2026
২ মাসের দেখা শোনা
29 June, 2026
ভঁক্টোঁ তোমাকে
28 June, 2026
অন্য কথা
পথ চলতে চলতে একটু ভালো লাগার গল্প লিখতে ইচ্ছে করে।
কেন লিখতে পারি না?
ঘুরতে বার হয়ে মানুষ দেখি
অনেক কথা শুনি।
কেন তাঁদের কথা লিখি না?
এক সময়ে লিখেছিলাম "দশাবতার তাস" এর গল্প
লিখেছিলাম
ঝালদার কথা লিখেছিলাম
এখন কেন লিখতে পারি না?
এখন প্রতিদিন ধ্বংস যজ্ঞ মাথায় ঘোরে
আমি হয়তো এমন হয়ে গেছি
আমার মাথায় ঘোরে শুধু
নিকোবরের মৃত্যুভুমি - মৃত্যুভুমি - মৃত্যুভুমি
গড়িয়া কে তো মরতে আমি দেখছি আমি
এক সময়ে হেঁটে চলে বেড়াতাম
দু পাশে ধানের খেতে
বিকাল বেলা - সকাল বেলা
এক সময়ে বাঁশ বন ছিল শ্মশান টাতে
আজকে মানুষ আড্ডা মারে
তাতেই রাতে।
এমনি করেই বদলে গেছে অনেক কিছু
ছানা গুলো খাবে এবার অন্য কিছু
রাজমা আর চাওল খেয়ে
ডিম ছুঁড়বে প্রতিবাদী হয়ে
সব কিছু তো বদলে গেছে বদলে গেছে
খারাপ রা তো ভালো হওয়ার লাইনে আছে
লাইনে আছে
তুমি শুধু ভক্ত হয়ে ঠুলি পর
আমাকে খিস্তি মারতে বড়ই দড়
বড়ই দড়>
এখনও ৩৪ এর গান গেয়ে যাও
গান গেয়ে যাও
ভঁক্টোঁ তুমি
পিঙ্ক স্লিপ ধরাচ্ছে তোমায়
অচ্ছে দিনের জন্মভুমি - জন্মভুমি
তুমি দেখ ৩৪ কে
আমি দেখি মানুষ তোমায়
তোমার ভবিষ্যৎ কাল থাকবে কোথায়
থাকবে কোথায়?
এই কথাটাই ভেবে আমি চেঁচিয়ে চলি
তোমার চোখের জলে লাল হয়ে যায়
জন্মভুমি - জন্মভুমি।
রবীন্দ্রনাথ আর লেনিন এই কথা টাই বলেছিল
বিশ্ব জুড়ে এই শব্দ গুলো লিখেছিল
তুমি তো পড়তে শিখে ভুল দেখেছ
জন গণের অর্থ খানি ভুল বুঝেছ।
দোষ তো তোমার হয় নি বন্ধু
হয় নি তোমার।
তোমার মাথার মধ্যে আছে অস্বীকার
নিজেকে তো চিনতে তুমি চাও না তুমি
তোমার চেতনায় ঘোরে শুধু আঁধার কৃমি
আঁধার কৃমি
ওই কৃমি টা ঘুরছে তোমার চেতনাতে
হিন্দু - মুসলিম দিচ্ছে ঘুরিয়ে ঘূর্ণি পাকে
ঘুর্নি পাকে।
তাক ধিনা ধিন তাধিন তিনা
আমি শুধু লিখতে পারি
তবু লিখিনা।
সব কিছুতেই দ্বেষ ছড়িয়ে
প্রেমিক সবাই
তাই তো একটু অন্য কথা যাই লিখে যাই
যাই লিখে যাই।
শ্রীতোষ
02 May, 2026
বিকল্প নেই বাম হাতের
19 April, 2026
ইললজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি