29 June, 2026

ভঁক্টোঁ তোমাকে

 

একদিন ওরা এসেছিল স্টেশনের হকার তুলতে
আমি উল্লসিত
কারণ ট্রেন লেট হয় ওদের জন্য
প্ল্যাটফর্ম নোংরা হয়
আমি সমর্থন করেছিলাম।
এরপর ওরা এল স্টেশনের বাইরের রাস্তায়
দোকান ভাঙতে
আমি সমর্থন করলাম
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের বন্যা বইয়ে দিলাম
সরকারী জমি দখল করে রেখেছে
জবর দখল কারী যত সব।
তারপর ওরা এল ফুটপাথে
মানুষের হাঁটা চলার অসুবিধা হচ্ছে
আমি আনন্দিত
ঠিকই তো।
ওরা একই সঙ্গে বলল
নিরামিষ খেলেই পুষ্টি হয়
একটু থমকালাম
তবুও ভাবলাম
ওরা যখন বলছে তখন কথা ঠিক।
এরপর ওরা বলল
রাস্তা চওড়া করতে হবে
এখানে ৪ লেনের রাস্তা হবে
বাড়ি ভাঙ্গা পড়বে তোমার।
জমিটা আসলে কিন্তু রাষ্ট্রের।
আমি এতদিন হেসেছি -
আনন্দ করেছি
আজকে কি করব?
কার দিকে তাকাব?
না অবশ্যই না
নেইমুল্যার এর লেখা শব্দ আজকে নতুন করে লিখব
তিনি লিখেছিলেন
"সেদিন আমার পাশে কেউ নেই"
আজকে শ্রীতোষ লিখছে
আজকে যারা অত্যাচারিত দের দিকে চেয়ে
নগ্ন উল্লাসে হাসছে
কালকে যদি পৃথিবীতে একজন
বামপন্থায় বিশ্বাস ধারী মানুষ বেঁচে থাকে
সেই মানুষ টা
ওদের পাশে দাঁড়াবে
ওদের হতাশাকে ভুলিয়ে দেবে
একটা বেঁচে থাকা বামপন্থী মানুষের
মানুষের প্রতি কর্তব্য আর ভালোবাসা।
শ্রীতোষ ২৯/০৬/২০২৬

28 June, 2026

অন্য কথা

পথ চলতে চলতে একটু ভালো লাগার গল্প লিখতে ইচ্ছে করে।
কেন লিখতে পারি না?
ঘুরতে বার হয়ে মানুষ দেখি
অনেক কথা শুনি।
কেন তাঁদের কথা লিখি না?

এক সময়ে লিখেছিলাম "দশাবতার তাস" এর গল্প
লিখেছিলাম
ঝালদার কথা লিখেছিলাম
এখন কেন লিখতে পারি না?

এখন প্রতিদিন ধ্বংস যজ্ঞ মাথায় ঘোরে
আমি হয়তো এমন হয়ে গেছি
আমার মাথায় ঘোরে শুধু
নিকোবরের মৃত্যুভুমি - মৃত্যুভুমি - মৃত্যুভুমি

গড়িয়া কে তো মরতে আমি দেখছি আমি
এক সময়ে হেঁটে চলে বেড়াতাম
দু পাশে ধানের খেতে
বিকাল বেলা - সকাল বেলা
এক সময়ে বাঁশ বন ছিল শ্মশান টাতে
আজকে মানুষ আড্ডা মারে
তাতেই রাতে।

এমনি করেই বদলে গেছে অনেক কিছু
ছানা গুলো খাবে এবার অন্য কিছু
রাজমা আর চাওল খেয়ে
ডিম ছুঁড়বে প্রতিবাদী হয়ে

সব কিছু তো বদলে গেছে বদলে গেছে
খারাপ রা তো ভালো হওয়ার লাইনে আছে
লাইনে আছে

তুমি শুধু ভক্ত হয়ে ঠুলি পর
আমাকে খিস্তি মারতে বড়ই দড়
বড়ই দড়>

এখনও ৩৪ এর গান গেয়ে যাও
গান গেয়ে যাও
ভঁক্টোঁ তুমি
পিঙ্ক স্লিপ ধরাচ্ছে তোমায়
অচ্ছে দিনের জন্মভুমি - জন্মভুমি

তুমি দেখ ৩৪ কে
আমি দেখি মানুষ তোমায়
তোমার ভবিষ্যৎ কাল থাকবে কোথায়
থাকবে কোথায়?

এই কথাটাই ভেবে আমি চেঁচিয়ে চলি
তোমার চোখের জলে লাল হয়ে যায়
জন্মভুমি - জন্মভুমি।

রবীন্দ্রনাথ আর লেনিন এই কথা টাই বলেছিল
বিশ্ব জুড়ে এই শব্দ গুলো লিখেছিল
তুমি তো পড়তে শিখে ভুল দেখেছ
জন গণের অর্থ খানি ভুল বুঝেছ।
দোষ তো তোমার হয় নি বন্ধু
হয় নি তোমার।
তোমার মাথার মধ্যে আছে অস্বীকার
নিজেকে তো চিনতে তুমি চাও না তুমি
তোমার চেতনায় ঘোরে শুধু আঁধার কৃমি
আঁধার কৃমি
ওই কৃমি টা ঘুরছে তোমার চেতনাতে
হিন্দু - মুসলিম দিচ্ছে ঘুরিয়ে ঘূর্ণি পাকে
ঘুর্নি পাকে।

তাক ধিনা ধিন তাধিন তিনা
আমি শুধু লিখতে পারি
তবু লিখিনা।
সব কিছুতেই দ্বেষ ছড়িয়ে
প্রেমিক সবাই

তাই তো একটু অন্য কথা যাই লিখে যাই
যাই লিখে যাই।
শ্রীতোষ