ভারতবর্ষের
প্রতিটি মানুষ যারা কলেজে
পড়েছেন তাঁরা নিজেদের শিক্ষাগত
যোগ্যতার পরিচয় দেখাতে পারবেন। এমন
কি যারা বলেন (এবং
বিশ্বাস করেন) ব্যক্তি / দলের
বিরোধিতা করা মানেই দেশের
বিরোধিতা করা।
মিথ্যা বললাম কি?
ভারতবর্ষের প্রতিটি প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা আর টি আই
না করলেও জানা যায়।
যারা বলেন (এবং বিশ্বাস
করেন) ব্যক্তি / দলের বিরোধিতা করা
মানে দেশের বিরোধিতা করা
তাঁরাও এটাকে অস্বীকার করতে
পারেন কি?
অথচ তারাই ভারতবর্ষের বর্তমান
প্রধান মন্ত্রীর শিক্ষা গত যোগ্যতা
জানতে চাওয়া মানুষদের বলেন
তোদের জন্ম আব্দুল চাচার
খাটে
কোন মহিলা প্রশ্ন তুললে
তাঁকে গণ ধর্ষণের নিদান
দেন
ব্যক্তি = দেশ এই চিন্তা
ধারার বিদ্বান বিদ্ধস্ত জাতে মানুষের মত
দেখতে প্রজাতিতে এক কোষী অ্যামিবাদের
দেখতে বড় ভালো লাগে।
একজন সাধারণ জ্ঞানওয়ালা মানুষ
হিসাবে চাইব না,
এদের ঘরে নিট পরীক্ষায়
প্রশ্ন ফাঁসের জন্য ব্যর্থ
হওয়া কোন সন্তান আসুক
যে এদের দিকে মধ্যমা
নয় একটাও আঙুল তুলুক;
চাইব না এদের কারো
মনে এখনই প্রশ্ন জাগুক
কোন সে তথ্য ভারতের
নাগরিকত্বের আসল প্রমাণ
আমি চাইব না এদের
পরিবারে কেউ বুঝুক পিঙ্ক
স্লিপ পেলে কেমন লাগে
আমি চাইব না এদের
পরিবারের কারো রেশন বন্ধ
হোক
আমি চাইব না এরা
কোন কুলদীপ আর ব্রিজ
ভূষণকে মালা পরাতে দেখে
নিজের ঘরের দরজা বন্ধ
করে দিক;
আমি চাইব
আসুক সেই এক দিন
যেদিন ওদের
চিত্ত হোক আঁধার শূন্য
উচ্চ হোক শির
জ্ঞান হোক মুক্ত
যেথা শিক্ষার অনল
পুড়িয়ে দিল
কুশিক্ষার জঞ্জাল
ওরা গেয়ে উঠুক
এসো মুক্ত কর, মুক্ত
কর অন্ধ কারার এই
দ্বার
ওদের যক্ষ পুরীর কারাগার
ভাঙ্গুক।
ওরা এক কোষী অ্যামিবা
ব্রেন ধারী ভ্যাঁক্টোঁ না
হয়ে
মান আর হুঁশ থাকা
মানুষ হোক।
No comments:
Post a Comment