10 September, 2026

চিন্তা

 বিদেশে ন্যুড বিচ আছে। 

হাফ ন্যুড বিচ ও আছে।

ভারতীয় সংস্কৃতির ইতিহাসে আছে পুরীর জগন্নাথ মন্দির, কোনার্ক এর সূর্য মন্দির, আছে খাজুরাহো সহ আরও অনেক শিল্প কৃতি এবং ভাস্কর্য। 


সম্পূর্ণ নগ্নতা শিল্পের দ্যোতক।

এটা নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। 


শরদিন্দু তাঁর কুমার সম্ভবের কবি উপন্যাসে কবি কালিদাসের মুখ দিয়ে বলিয়েছিলেনঃ

"আমার দেবতা চির নগ্ন, তাই তিনি চির সুন্দর। আমি যেন সারা জীবন সেই চির সুন্দরের উপাসক থাকতে পারি"  


এত কথা কেন লিখছি? প্রশ্ন তো জাগবেই তাই না?

প্রশ্ন টা জাগুক বর্তমান কিছু ঘটনা দেখে - 

যারা কালকে একটা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সামনে নাচানাচি করছিলেন (শুধু মাত্র পুরুষেরা) অর্ধ উলঙ্গ হয়ে তারা ভারতের কোন সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটিয়েছেন?

তারা যদি সত্যি কারের ত্যাগী হতেন তাহলে তাদের শরীরে সামান্যতম বস্ত্রও থাকত না

তারা যদি সত্যিকারের ত্যাগী হতেন তাহলে তারা এই সবের মধ্যে আসতেন কি?

যারা বস্ত্র ত্যাগ করেছেন, তারা ত্যাগ করেছেন তাদের পূর্ব জন্ম - কোথায় কি হচ্ছে না হচ্ছে তার সাথে তাদের সংশ্রব কি ভাবে থাকতে পারে?


এবার বুদ্ধিমান মানুষ - সাধারণ জ্ঞান থাকা মানুষ কি সিদ্ধান্ত নেবে?

যাদব পুর বিশ্ব বিদ্যালয় কেন যে কোন জন বহুল স্থানে এই সব গেরুয়া ধারী আধা ন্যাংটা পুরুষ মানুষ গুলো (মহিলারা নয় কিন্তু কারণ তাহলে) যারা ঘুরে বেড়ায় তাদের উদ্দেশ্য কি? 


 যারা এসেছিল তারা যদি সর্ব ত্যাগী হয় তাহলে তারা দেশ এবং কালেরও উপরে। তাহলে কেন এসেছিল এরা? একজন তথাকথিত সাংবাদিক এই ঘটনাকে সমর্থন করছে। তাহলে কি সে ইতিহাস কে মেনে নিচ্ছে, মেনে নিচ্ছে এই নাগারা আসলে সংসার ত্যাগী নয়, এরা মার্সিনারি বা পয়সার বিনিময়ে যুদ্ধ করা সেনাদল? 


অন্ধ ভক্ত ছাড়া প্রতিটি সাধারণ শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মান এবং হুঁশ থাকা মানুষ চিন্তা করবেন।

08 September, 2026

রাষ্ট্র বাদ

নাচাও নাচাও এমন করে
বুঝতে ভুলি অধিকার আমার।
নাচাও নাচাও এমন করে
ভুলে যাই প্রতিশ্রুতি তোমার।
কত কথা - কথকতা
কত ভাণ্ডারের রূপ সে কথা
নাচাও নাচাও এমন করে
ভোট পেয়েছ?
তাই তো সবার>
নাচাও নাচাও -

তুমি ই ছিলে সেই সকলের
অনুপ্রাণিত দিদির হয়ে
নাচিয়েছিলে অনেক কে তো
তোয়ালে হাতে বাধ্য হয়ে।
আজকে তুমিই জিরো শূন্য (টলারেন্স)
সাধ মিটে যায় তোমায় দেখে

নাচাও নাচাও এমন করে
আঙুল নাচে না তোমায় দেখে।

চাকরীটা আমি খেয়ে নেব বন্ধু
প্রতিবাদ করলেও আটকাতে পারবে না
প্রতিদিন ওই প্রতিবাদ গুলোর
মুখ বন্ধ করতে আমি পারি
অজস্র আইন হাতে আমার আছে
এই সব লেখা লিখলে
আমায় আটকাতে পারবে না।

ইয়েস
হতেই পারে আইন
সমান সকলের জন্য
আমার হাতে তো আছে সরকার
নাগরিকের সারভেন্ট আমি হলেও
নাগরিকের ১ টা টাকাতে আমার মাইনে হলেও
নাগরিকের প্রতিবাদ - যদিও হয় সত্যি
তাঁকে দেশদ্রোহী বলাতে আমার
রাষ্ট্র বাদী অধিকার।

ইয়েস
নাগরিক তুমি শুনতে কি পারছ
আমাকে সমর্থন না করলেই
তোমাকে আমি হয়তো

শ্রীতোষ ০৮/০৯/২০২৬

03 September, 2026

অরবিন্দ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় - যাদবপুর

 

নাম তো অনেক কিছুরই বদলায়
যেমন এন সি সি পি আই হয়ে গেছে
নাম
কিছু জনের
উন্নয়নের ধোঁয়া দেখা আরবানার এসে দিদি
এখন দেশপ্রেমিক হয়ে গেছেন
নবনীতা দেব সেন - বাদল সরকারের মত
রাষ্ট্র বিরোধী - দেশ দ্রোহী মানুষ রা যে বিশ্ব বিদ্যালয়ে
পড়েছেন এবং পড়িয়েছেন
সেই বিশ্ব বিদ্যালয়ের নাম
ঋষি অরবিন্দের নামে রাখলে
ব্যক্তিগত ভাবে আমি খুশিই হব
কারণ
আলিপুর বোমার মামলার অপরাধী
অরবিন্দ কে
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ সওয়াল করে মুক্ত করেছিলেন
এবং তার পিছনে ছিলেন কানাই আর সত্যেন
যারা সাভারকরের মত
এক ব্রিটিশ দালাল নরেন গোঁসাই কে
গুলি করে জেলের খানায় ফেলেছিলেন।
কানাই আর সত্যেন না থাকলে অরবিন্দ মুক্ত হতেন না
কানাই আর সত্যেন না থাকলে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের সওয়াল বৃথা যেত
আলিপুর বোমার মামলার মূল চক্রান্তকারী
অরবিন্দের নামে যাদবপুরের নাম হোক।
আমি সমর্থন করছি
কারণ এটাই হল ইতিহাস না জানা
অ্যামিবা ব্রেন ধারী ভক্ত কুলের
নিজেদের মুখে নিজেদের চরম পদাঘাত।
নামে এবার এসে যাক।
অরবিন্দের নাম নিয়ে যাদবপুর মুক্ত চিন্তার পথিক হোক
অরবিন্দের নাম নিয়ে যাদবপুর ফ্যাসিস্ট চিন্তাধারার বিরুদ্ধে লড়ুক।
ব্রিটিশ দালালদের বুঝিয়ে দিক স্বাধীন চিন্তার ক্ষমতা।
অরবিন্দের সেই সময়ের বিপ্লবী চিন্তা ধারা বর্তমান সময়ের সাথে
সঙ্গতি রেখে
যুগান্তর আনুক,
মুক্ত চিন্তার অনুশীলন জাগুক আরও বেশী করে।
নামে আর কাজেই হোক
অরবিন্দ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়।
ফ্যাসিস্ট রা এই ভাবেই না বুঝে সময় কে ডাকে।
শ্রীতোষ ০৩/০৯/২০২৬
নোটঃ যে সব রাষ্ট্র বাদী (তথাকথিত) সুসন্তান রা সবসময় অন্যদের খিস্তি মেরে বলে তাঁদের আব্দুল চাচার খাটে জন্ম এবং নন বায়োলজিক্যাল কে প্রশ্ন করতে ভুলে যায় তার জন্ম কার খাটে, তাঁদের প্রতিঃ আপনারা কি জানেন, অরবিন্দ ঘোষ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এর সাথে যুক্ত ছিলেন? আপনারা কি জানেন অরবিন্দ ঘোষ যুক্ত ছিলেন অনুশীলন সমিতির সাথে? ফলে যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয়ের নাম যদি বদলে অরবিন্দ বিশ্ব বিদ্যালয় হয় তাহলে সাভারকরের অনুসারীদের তো লজ্জা পাওয়াই উচিত। এদের এতটাই অ্যামিবা বেরেন যে এরা কি করবে আর কি করবে না এটাই ভুলে যাচ্ছে। 

01 September, 2026

স্লোগান

 

কোথায় কোথায় দেওয়াল লেখা যাবে
কি কি ভাষায় দেওয়াল লেখা যাবে
একটু বলুন মহামান্য উপাচার্য মহোদয়
যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয়?
আসলে চিরকাল ছাত্ররাই আন্দোলন করেছে
ক্ষুদিরাম থেকে বিনয় - বাদল - দীনেশ
এমনকি
সাম্যময় বন্দ্যোপাধ্যায় সহ সকলেই
তারা কোনদিন কোন নিয়ম মানে নি
কত নাম লেখা আছে ইতিহাসের পাতায়।
সুভাষ চন্দ্র ওটেন কে মেরেছিলেন
তখনও নেতাজী ছাত্র ছিলেন
আজকের সুভাষ চন্দ্র নয় (যার ধার মাপ হয়ে গেছে আর সেটা নিয়ে ভ্যাঁক্টোঁ রা কু যুক্তি ছড়িয়ে এন এল পি পি করে যায়)
মাননীয় উপাচার্য মহোদয়
দেওয়াল গুলো যত পারেন তত বেশী মুছে দিন
যত বেশী মুছবেন
লেখা গুলো তত বেশী জাগবে।
অনেক দিন আগের একটা ঘটনা মনে জাগে
একজন কে মেরে ফেলে দিল
রাষ্ট্র শক্তি
নেতা বলল "বাঁচা গেল"
যে মারল সে বলল
"মানুষ মরে গেল
অমরত্ব শুরু হল আজ"
আপনারা লেখা মুছে চলুন।
প্রতিটি শব্দ স্লোগান হয়ে যাবে।
মানুষের মনে।
লেখা গুলো মুছে দিলেন আজ
লেখা গুলো স্লোগান হয়ে গেল।
শ্রীতোষ ০১/০৯/২০২৬