বিদেশে ন্যুড বিচ আছে।
হাফ ন্যুড বিচ ও আছে।
ভারতীয় সংস্কৃতির ইতিহাসে আছে পুরীর জগন্নাথ মন্দির, কোনার্ক এর সূর্য মন্দির, আছে খাজুরাহো সহ আরও অনেক শিল্প কৃতি এবং ভাস্কর্য।
সম্পূর্ণ নগ্নতা শিল্পের দ্যোতক।
এটা নিয়ে কোন দ্বিমত নেই।
শরদিন্দু তাঁর কুমার সম্ভবের কবি উপন্যাসে কবি কালিদাসের মুখ দিয়ে বলিয়েছিলেনঃ
"আমার দেবতা চির নগ্ন, তাই তিনি চির সুন্দর। আমি যেন সারা জীবন সেই চির সুন্দরের উপাসক থাকতে পারি"
এত কথা কেন লিখছি? প্রশ্ন তো জাগবেই তাই না?
প্রশ্ন টা জাগুক বর্তমান কিছু ঘটনা দেখে -
যারা কালকে একটা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সামনে নাচানাচি করছিলেন (শুধু মাত্র পুরুষেরা) অর্ধ উলঙ্গ হয়ে তারা ভারতের কোন সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটিয়েছেন?
তারা যদি সত্যি কারের ত্যাগী হতেন তাহলে তাদের শরীরে সামান্যতম বস্ত্রও থাকত না
তারা যদি সত্যিকারের ত্যাগী হতেন তাহলে তারা এই সবের মধ্যে আসতেন কি?
যারা বস্ত্র ত্যাগ করেছেন, তারা ত্যাগ করেছেন তাদের পূর্ব জন্ম - কোথায় কি হচ্ছে না হচ্ছে তার সাথে তাদের সংশ্রব কি ভাবে থাকতে পারে?
এবার বুদ্ধিমান মানুষ - সাধারণ জ্ঞান থাকা মানুষ কি সিদ্ধান্ত নেবে?
যাদব পুর বিশ্ব বিদ্যালয় কেন যে কোন জন বহুল স্থানে এই সব গেরুয়া ধারী আধা ন্যাংটা পুরুষ মানুষ গুলো (মহিলারা নয় কিন্তু কারণ তাহলে) যারা ঘুরে বেড়ায় তাদের উদ্দেশ্য কি?
যারা এসেছিল তারা যদি সর্ব ত্যাগী হয় তাহলে তারা দেশ এবং কালেরও উপরে। তাহলে কেন এসেছিল এরা? একজন তথাকথিত সাংবাদিক এই ঘটনাকে সমর্থন করছে। তাহলে কি সে ইতিহাস কে মেনে নিচ্ছে, মেনে নিচ্ছে এই নাগারা আসলে সংসার ত্যাগী নয়, এরা মার্সিনারি বা পয়সার বিনিময়ে যুদ্ধ করা সেনাদল?
অন্ধ ভক্ত ছাড়া প্রতিটি সাধারণ শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মান এবং হুঁশ থাকা মানুষ চিন্তা করবেন।
No comments:
Post a Comment