নাচাও নাচাও এমন করে
বুঝতে ভুলি অধিকার আমার।
নাচাও নাচাও এমন করে
ভুলে যাই প্রতিশ্রুতি তোমার।
কত কথা - কথকতা
কত ভাণ্ডারের রূপ সে কথা
নাচাও নাচাও এমন করে
ভোট পেয়েছ?
তাই তো সবার>
নাচাও নাচাও -
তুমি ই ছিলে সেই সকলের
অনুপ্রাণিত দিদির হয়ে
নাচিয়েছিলে অনেক কে তো
তোয়ালে হাতে বাধ্য হয়ে।
আজকে তুমিই জিরো শূন্য (টলারেন্স)
সাধ মিটে যায় তোমায় দেখে
নাচাও নাচাও এমন করে
আঙুল নাচে না তোমায় দেখে।
চাকরীটা আমি খেয়ে নেব বন্ধু
প্রতিবাদ করলেও আটকাতে পারবে না
প্রতিদিন ওই প্রতিবাদ গুলোর
মুখ বন্ধ করতে আমি পারি
অজস্র আইন হাতে আমার আছে
এই সব লেখা লিখলে
আমায় আটকাতে পারবে না।
ইয়েস
হতেই পারে আইন
সমান সকলের জন্য
আমার হাতে তো আছে সরকার
নাগরিকের সারভেন্ট আমি হলেও
নাগরিকের ১ টা টাকাতে আমার মাইনে হলেও
নাগরিকের প্রতিবাদ - যদিও হয় সত্যি
তাঁকে দেশদ্রোহী বলাতে আমার
রাষ্ট্র বাদী অধিকার।
ইয়েস
নাগরিক তুমি শুনতে কি পারছ
আমাকে সমর্থন না করলেই
তোমাকে আমি হয়তো
শ্রীতোষ ০৮/০৯/২০২৬
08 September, 2026
রাষ্ট্র বাদ
03 September, 2026
অরবিন্দ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় - যাদবপুর
01 September, 2026
স্লোগান
27 August, 2026
শ্রীতোষ এর প্রশ্ন
মানুষ হারিয়ে যায় জীবনের পথ চলতে চলতে
অজস্র মানুষ।
যেমন কালকে হারিয়ে গেল।
বন্যা এল
কত মানুষ হারিয়ে গেল।
বাস্তব এটাই।
যে মানুষ গুলো হারিয়ে গেল
তারা কোন দিন প্রশ্ন করবে না
আমরা কেন হারিয়ে গেলাম?
এই মানুষ গুলো কোন দিন প্রশ্ন করবে না,
আমাদের হারিয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী কারা?
উন্নয়নের বন্যায় এই ভাবেই হারিয়ে যায়
অজস্র মানুষ।
নেপাল – উত্তরা খণ্ড – কেদারনাথ
উত্তর কাশী – তিস্তা বাজার
আরও অজস্র নাম
অজস্র মানুষ!
সব জায়গায় উন্নয়ন চলছে।
আমাজনের অরণ্য থেকে সুন্দরবন
আগামী তে নিকোবর
উন্নয়ন চলছে।
এবং
আজকের উন্নয়ন আগামীর সুন্দর সমাজ
যেমন
উরাল সাগর!
আগামীর ভালো হোক
গঙ্গা – পদ্মা – যমুনা
শুধু গানেই থাকুক
আর এক
উরাল সাগর হয়ে যাক।
আগামীর প্রতিদিন
রাষ্ট্রের আদালতের আদেশে
১ টা ২০ বছরের গাছ কাটার পরে
১০০০ টা ১ মাসের গাছ
সেই জমি ধরে রাখার ক্ষমতা জাগাক
তার পরে
যখন বন্যা আসবে
তখন আদালতের রায়
মনে রাখতে রাখতে এবং রাখতে
ভেসে যাবে
আজকের মত অজস্র মানুষ
এবং হয়তো বা আদালত ও
১ টা ২০ বছরের গাছ = ১,০০,০০০ টা মাসের গাছ।
সমান কি ?
একই পরিমাণ জমি ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে কি?
শ্রীতোষ প্রশ্ন করল
২৭/০৮/২০২৬
05 August, 2026
অরাজনৈতিক ?
04 August, 2026
তোরা মানুষ হ
ভারতবর্ষের
প্রতিটি মানুষ যারা কলেজে
পড়েছেন তাঁরা নিজেদের শিক্ষাগত
যোগ্যতার পরিচয় দেখাতে পারবেন। এমন
কি যারা বলেন (এবং
বিশ্বাস করেন) ব্যক্তি / দলের
বিরোধিতা করা মানেই দেশের
বিরোধিতা করা।
মিথ্যা বললাম কি?
ভারতবর্ষের প্রতিটি প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা আর টি আই
না করলেও জানা যায়।
যারা বলেন (এবং বিশ্বাস
করেন) ব্যক্তি / দলের বিরোধিতা করা
মানে দেশের বিরোধিতা করা
তাঁরাও এটাকে অস্বীকার করতে
পারেন কি?
অথচ তারাই ভারতবর্ষের বর্তমান
প্রধান মন্ত্রীর শিক্ষা গত যোগ্যতা
জানতে চাওয়া মানুষদের বলেন
তোদের জন্ম আব্দুল চাচার
খাটে
কোন মহিলা প্রশ্ন তুললে
তাঁকে গণ ধর্ষণের নিদান
দেন
ব্যক্তি = দেশ এই চিন্তা
ধারার বিদ্বান বিদ্ধস্ত জাতে মানুষের মত
দেখতে প্রজাতিতে এক কোষী অ্যামিবাদের
দেখতে বড় ভালো লাগে।
একজন সাধারণ জ্ঞানওয়ালা মানুষ
হিসাবে চাইব না,
এদের ঘরে নিট পরীক্ষায়
প্রশ্ন ফাঁসের জন্য ব্যর্থ
হওয়া কোন সন্তান আসুক
যে এদের দিকে মধ্যমা
নয় একটাও আঙুল তুলুক;
চাইব না এদের কারো
মনে এখনই প্রশ্ন জাগুক
কোন সে তথ্য ভারতের
নাগরিকত্বের আসল প্রমাণ
আমি চাইব না এদের
পরিবারে কেউ বুঝুক পিঙ্ক
স্লিপ পেলে কেমন লাগে
আমি চাইব না এদের
পরিবারের কারো রেশন বন্ধ
হোক
আমি চাইব না এরা
কোন কুলদীপ আর ব্রিজ
ভূষণকে মালা পরাতে দেখে
নিজের ঘরের দরজা বন্ধ
করে দিক;
আমি চাইব
আসুক সেই এক দিন
যেদিন ওদের
চিত্ত হোক আঁধার শূন্য
উচ্চ হোক শির
জ্ঞান হোক মুক্ত
যেথা শিক্ষার অনল
পুড়িয়ে দিল
কুশিক্ষার জঞ্জাল
ওরা গেয়ে উঠুক
এসো মুক্ত কর, মুক্ত
কর অন্ধ কারার এই
দ্বার
ওদের যক্ষ পুরীর কারাগার
ভাঙ্গুক।
ওরা এক কোষী অ্যামিবা
ব্রেন ধারী ভ্যাঁক্টোঁ না
হয়ে
মান আর হুঁশ থাকা
মানুষ হোক।
03 August, 2026
TO THE সুদধ্ সাঁতভিক সনাতনী দ্বেষ প্রেমিক হিন্দু ভীর ভ্যাঁক্টোঁস্
এক অসাধারণ সময়ে পথে চলছে ভারতবর্ষের সাধারণ নাগরিক
১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগস্ট ভারত বর্ষ স্বাধীনতা পেয়েছে
ইতিহাসে একথাই লেখা আছে।
এই ইতিহাস সত্যি কি?
কেউ কেউ তো বলে চলছেন
ভারত নাকি ২০১৪ সালে প্রকৃত স্বাধীন হয়েছে
যারা বলে চলেছেন
গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ তাঁদের কোন প্রশ্ন করেন নি।
কেন করেন নি সেটা অজানা
আসলে রাষ্ট্র বাদী মিডিয়ার (ওঁরাই নিজেদের অভিসিঞ্চিত করেন এই উপাধিতে)
হয়তো বা এই প্রশ্ন করাই মানা।
ভারত বর্ষ স্বাধীন হল কবে এই প্রশ্ন না হয় তুলেই রাখি
প্রশ্ন করি এই ভারতে কি প্রশ্ন করাই ফাঁকি?
প্রশ্ন করলেই কি আব্দুল চাচার খাটে জন্ম নিতে হয়?
প্রশ্ন করলেই কি দেশদ্রোহী তকমা পেতে হয়?
কোন ভোটার কোন দিন প্রশ্ন করেছে কি
যদি কেউ নিজেকে নন বায়োলজিক্যাল বলেন
তার পারিবারিক পরিচয় কি হয়?
যিনি বলেছেন তার হয়তো লজ্জা হয় না
একজন সাধারণ ভোটারের লজ্জা হয়।
এটাই বাস্তব।
১৯৪৭ থেকে ২০২৬ - স্বাধীনতা দিবস আসছে।
শুরু হয়েছে জন সুমারি।
এই ভারতে কত জন মানুষ আছে তা গোনা হবে।
গোনা শেষ হবে সময়ের নিয়ম মেনে।
কত জন বাস করে এই দেশে তা হয়তো বা(????) জানা যাবে।
কতজন নাগরিক তা কি জানা যাবে?
কি বলছে জন সুমারির নিয়ম?
কি বলছে সরকার?
কি বলছে দায়রা আদালত?
কি বলছে হাই কোর্ট?
এবং সুপ্রিম কোর্ট বলছে কি?
কোন নথি নাগরিকত্বের প্রমাণ?
জানতে চাইছে এক সাধারণ ভোটার।
আধার কার্ড (যার সাথে লিঙ্ক করানো আছে বায়োমেট্রিক তথ্য)?
মহামান্য আদালত বলছেন - না।।
ওটা পরিচয় পত্র !!
প্যান (পার্মানেন্ট অ্যাকাউন্ট নাম্বার) ?
মহামান্য আদালত বলছেন - না।।
ওটা আয়কর দেওয়ার জন্য!!!
ভোটার কার্ড ?
আরে ওটা শুধু ভোট দেওয়ার জন্যই কাজে লাগে
(আমি নই) মহামান্য আদালত বলছেন।
পাসপোর্ট হল বেড়াতে যাওয়ার জন্য!!!
জন্মের প্রমাণ পত্র - জমি বাড়ির দলিল
কোনটাই এই দেশের নাগরিক হওয়ার কোন
প্রমাণ পত্র নয়।
আবার এই আদালত ই
ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ভারতের নাগরিক কিনা
এই প্রশ্নের উত্তরে বলছেন
তিনি জন্মসূত্রে ভারতের নাগরিক।
আইন তো সকলের জন্য সমান
তাই ভারতবর্ষের প্রধান মন্ত্রী জন্মসূত্রে ভারতের নাগরিক
কিন্তু
বাকি সবাই ভারতের নাগরিক কিনা
কোন নথি দিলে তাঁরা ভারতের নাগরিক হিসাবে প্রমাণিত
জন সুমারির আগেও সেই প্রশ্নের উত্তর আমি জানি না।
যারা নন বায়োলজিক্যালের জন্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে লজ্জা পান
বিরোধীদের আব্দুল চাচার খাটে জন্ম বলে উল্লসিত হন
তারা হয়তো এই প্রশ্নের উত্তর জানেন।
জন সুমারির ফর্ম টা যখন ভরবেন তখন একটু ভাববেন
কোন নথি দিলে আপনি ভারতের আসল নাগরিক হিসাবে
জায়গা পাবেন?
ভোটার কার্ড নয় / নয় প্যান / নয় সব কিছুর সাথে লিঙ্ক করা আধার / নয় পাসপোর্ট / নয় রেশন কার্ড।
TO THE সুদধ্ সাঁতভিক সনাতনী দ্বেষ প্রেমিক হিন্দু ভীর ভ্যাঁক্টোঁস্